মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
ফাইল

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধার তালিকা

ঘোড়াঘাটের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা :

১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের পরে দেশের অন্যান্য স্থানের মতোই ঘোড়াঘাটে তৎকালীন সরকার ও পাকিস্থানী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথমে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে ওঠে। এ আন্দোলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মী ছাড়াও আনসার, মুজাহিদ বাহিনী, ছাত্র জনতা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পাকবাহিনী যাতে ঘোড়াঘাটে প্রবেশ করতে না পারে এ জন্য ঘোড়াঘাটের প্রবেশ মুখে গাছ কেটে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়। কিন্তু জনতার এই বেরিকেড ঠেলে ফেলে দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের ২টি কোম্পানী ঘোড়াঘাটে প্রবেশ করে ২৫ শে মার্চের পরের দিনে । তারা জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে জনগণের সাথে একাত্মতা ঘোষনা করেন। কোম্পানী দুটোর নেতৃত্বে ছিলেন মেজর নিজার, লেঃ মোখলেস ও লেঃ রফিক। এরা ছিলেন বাঙ্গালী সৈনিক।

২৬ শে মার্চ বিকেল বেলা (৪টার দিকে) সৈয়দপুর সেনানিবাস থেকে ৬৪ টি কনভয় ঘোড়াঘাট আসে। পাকবাহিনী এসেই কোম্পানীর দুটোর উপর বেপরোয়াভাবে গুলি বর্ষণ করে। বাঙ্গালী সৈনিকেরাও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। এতে উভয় পক্ষের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। এ যুদ্ধে ৩ জন বাঙ্গালী সৈনিক ও পাক বাহিনীর ৩১জন সৈনীক মারা যায় । পাকবাহীনির গ্যারিসন কমান্ডার আরশাদ কোরেসী সাদা পতাকা উত্তোলন করে বিষয়টি মিমাংশার আহ্ববান জানান । উভয়ের মধ্যে যথারীতি চা পর্ব সম্পন্ন হয় । এরপর বিদায় নেওয়ার সময় লে.রফিক কমান্ডার আরশাদ কোরেসীকে এগিয়ে দিতে গিয়ে করমর্দন করে । এ সময় আরশাদ কোরেসী লে. রফিককে হেঁচকা টানে জীপে তুলে নিয়ে দ্রুত সরে পড়ে এবং বাঙ্গালী সৈনিক মারা যান । এই ঘটনার পরে ঘোড়াঘটে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় । জনগনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে । সেখানকার মুজাহিদ বাহীনির প্রধান বদরউদ্দিন পলাশবাড়িতে দলবল নিয়ে চলে যায়।

এরপরে ঘোড়াঘাটের বাঙ্গলী মেজর নিজাম তার সৈনিকদের নিয়ে নবাবগঞ্জ হয়ে ফুলবাড়িতে গিয়ে সুবাদার আব্দুস শুকুরের সাথে মিলিত হন । সেখানে সাড়ে চার শ' বাঙ্গালী সৈনিক ছিল১।এপ্রিল মাসের ১১ তারিখে পাকবাহিনী ফুলবাড়ি আত্রুমন করে । এখানে মুক্তিবাহিনী ও পাকবাহিনীর মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হয় । মুক্তিবাহিনী ফুলবাড়িতে টিকতে না পেরে দক্ষিণে বিরামপুরে চলে যান এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ডিফেন্স নেয় । এর মধ্যে ক্যাপ্টেন আনোয়ার হোসেনের কোম্পানীকে ঘোড়াঘাট - চরকাই রোডে বসানো হয় । অবস্থা বেগতিক দেখে ১৪ এপ্রিল ডিফেন্স তুলে নিয়ে পাঁচবিবি -হিলি রোডে ডিফেন্স নেয় তারা । ওদিকে ১৭ ই এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবরকে রাষ্ট্রপতি , সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার শপথ গ্রহন করে । এম,এ,জি ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক করে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় । দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট পড়ে ৭ নং সেক্টরের অধীন । আনুষ্ঠনিকভাবে শুরু হয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ২।দেশের অভ্যন্তরে থাকা তৎকালীন ইপিআর বাহিনীর বাঙ্গালী সৈনিকদের বিপুল অংশ মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করে। পাকবাহিনী কতর্ৃত্ব নিতে গিয়ে অধিকাংশ স্থানে বাঙ্গালী ( ইপিয়ার ) মুক্তিবাহিনীর প্রবল প্রতিরোধের সম্মুখিন হন । এ অবস্থার মধ্যে ১৯ শে এপ্রিলে পাচবিবি দিক থেকে পাকবাহিনী হিলি আক্রমন করেন । আনোয়ারের বাহিনী সে আক্রমন প্রতিহত করতে সচেষ্ট হন । কিন্তু গোলাগুলির এক পর্যায়ে ভারত ভূ- খন্ডের ক'জন নাগরিক মারা যান। যার দরুন ২০ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধারা ছিল হিলি ডিফেন্স ভেঙ্গে দিয়ে ১৩ মাইল দূরে ভারতের কামারপাড়া স্কুলে ক্যাম্প স্থানান্তর করেন । যাওয়ার সময় হিলি ও চরকাই খাদ্য গুদাম থেকে ৪০০ বস্তা চাল তারা নিয়ে যান । ২১ এপ্রিল হিলির পতন ঘটে । এ সময় ঘোড়াঘাটে পাকবাহিনীর একটি ছোট ক্যাম্প ছিল। পাকসেনারা স্থানীয় কিছু লোককে পাকিস্তান রক্ষার অজুহাত দেখিয়ে জনমত গঠনে তৎপর হন । সেইসাথে স্থানীয় প্রশানকে নিজেদের কব্জায় নিয়ে নেন তারা । স্থানীয়ভাবে শান্তি কমিটি, পিচ কমিটি, রাজাকার, আলবদরসহ নানা বাহিনী গঠিত হয় । পাকিস্তান রক্ষার স্বার্থে এবং স্থানীয় শান্তি - শৃঙ্খলা বজায় রাখার অজুহাতে কমিটিগুলোতে কিছু লোক যুক্ত হয় । তারা পাক সরকারের সহায়াক শক্তি হিসেবে পাকিস্তানের বাহিনীদের প্রেসক্রিপশন মোতাবেক দূষ্কৃতিকারী, আওয়ামী লীগ কর্মী , ছাত্রনেতা ও মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী মুজাহিদ ও আনছার বাহিনীর লোকদের ধরিয়ে দিতে সহায়তা করেন । এ ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধাদের খবরা খবর সংগ্রহ করে পাকবাহিনীর দপ্তরে গোপনে সরবরাহ করতো । এ কাজে দক্ষিন জয়দেপুরের রাজাকার আবদুল ওয়াদুদ এর নাম উচ্চারন করা যায়।মুক্তিযু্দ্ধকালীন ঘোড়াঘাটে যারা শহীদ হন তাদের বেশ কয়েক জনের পরিচয় জানা গেছে । ঐ সময়ে ঘোড়াঘাটের প্রথম শহীদ কুলানন্দপুরের আইয়ুব আলী । পাকবাহিনী তাকে রাণীগঞ্জ বাজারে নিমর্মভাবে হত্যা করে ( তারিখ অজ্ঞাত ) । ১৯৭১ সালের মে মাসের ২৩ তারিখে মুজাহিদ বাহিনীর মেজর বদরউদ্দিনকে পাকবাহিনী দীর্ঘ ২ দিন নির্যাতনের পরে হত্যা করেন । ঘোড়াঘাট ডাকবাংলোর প্রবেশ পথের ধারেই তার সমাধি আছে । এমনি ভাবে মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘোড়াঘাটে আরো যারা শহীদ হন তারা হলেন- আফসারাবাদের সোহরাব আলী , গোলজার হোসেন ও মোশারফ হোসেন । এই তিন জনের পিতা নাসির উদ্দিন । তাদেরকে ধরে এনে রাণীগঞ্জ বাজারে নিমর্মভাবে হত্যা করা হয় । খায়রুল গ্রামের মহেন্দ্র নাথ, নিত্যরঞ্জন ও নবানু সরকারকে খান সেনারা ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে । পালশা ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ চৌধুরী ও একই গ্রামের সাইফুল ইসলামকে ধরে নিয়ে গিয়ে নিমর্মভাবে হত্যা করে পাক বাহিনী । রশিদ চৌধুরীর লাশ হত্যার পরদিনে পাওয়া যায় লালদীঘি বিলের পাড়ে । এছাড়াও ডুগডুগী হাটের বগা মন্ডল, তার ছেলে সিরা উদ্দিনকে পাকবাহিনী গুলি করে হত্যা করে। হিজলগাড়ীর ওসমান আলী চৌধুরী, তোষাইয়ের সায়েদ আলীম ডেভসি গ্রামের আব্দুস সাত্তার পাক বাহিনীর নিযর্াতনে মৃতু্যবরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে এ উপজেলার ১৫-২০ জন লোক শহীদ হন। ঘোড়াঘাট ডাক বায়লোর পূর্বধারে অনেক লোককে মেরে ফেলে পুঁতে রাখে পাকবাহিনী। এখানে উল্লেখ্য , ১১ জন ঘোড়াঘাটের পাকবাহিনী এবং তাদের দোসর বিহারী ও রাজাকাররা করতোয়া পাড়ায় লুটপাট চালায় এবং ১৬৫ জন লোককে ধরে আনেন।ঘোড়াঘাটের বিহারী রমজান ও হানিফ এ দুজন ১৬০ জন লোককে নৃশংস ভাবে হত্যা করেন। এতে ঘোড়াঘাট বানী আরো আতঙ্কিত হন।দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পাকবাহিনীর একটা বড় ক্যাম্পে ছিল। ডিসেম্বর মাসের পয়লা থেকে ভারত সীমান্তঘেষাএ থানার রুদ্রানী, জলপাইতলী, পানিকাটা, রানীনগর সীমান্ত থেকে পাকবাহিনীর ক্যাম্প লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায় মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী। আক্রমণের মুখে মৃতু্য নিশ্চিত ভেবে পাক বাহিনী ফুলবাড়ী ত্যাগ করে ৪ঠা ডিসেম্বর চলে যান সৈয়দপুর। পশ্চিমে মোহনপুর ব্রিজের পাশ দিয়ে মিত্রবাহিনীর ট্যাংকবহর ফুলবাড়ীতে প্রবেশ করে। মুক্ত হয় ফুলবাড়ী। এরপরে মিত্রবাহিনী বিরামপুর দখল করতে অগ্রসর হন। সেখানেও পাকবাহিনীর একটি ক্যাম্প ছিল। সেটিও মিত্রবাহিনীর তদখলে আসে সীমিত সময়ের মধ্যে। মিত্র বাহিনীর ট্যাংক বহর পূর্বদিকে নবাবগঞ্জ থানায় প্রবেশের জন্য অগ্রসর হয়। ১০ ডিসেম্বর সকালে মিত্রবাহিনী নবাবগঞ্জ থানায় এসে প্রবেশ করে। এখানে মিত্র বাহিনী দুটি দলে ভাগ হয়ে যায়। এক ভাগ নবাবগঞ্জ থেকে সোজা পূর্ব দিকে করতোয়া নদীর কাঁচদহ ঘাট পার হয়ে পীরগঞ্জের দিকে যেতে থাকে এবং অপরটি নবাবগঞ্জ থেকে দক্ষিণ পূর্ব দিকে দাউদপুর হয়ে ঘোড়াঘাট অভিমুথে অগ্রসর হয়।

এখানে উল্লেখ্য, দাউদপুর বাজার থেকে মিত্রবাহিনীর একটি পদাতিক দল ভাদুরিয়া বাজার অতিক্রম করে রানীগঞ্জ এর দিকে যাওয়ার কালে ভাদুরিয়া স্কুলে লুকিয়ে থাকা কয়েকজন পাকবাহিনী পিছর খেকে মিত্রবাহিনীকে আক্রমণ চালায়। এতে উভয় পক্ষের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়। কোন পক্ষের কতজন সৈন্য হত হয় তা জানা যায়নি। অনেক লাশ ভাদুরিয়া স্কুলের মাঠে ও কিছু সংখ্যক লাশ দাউদপুর স্কুল মাঠেও সাময়িক পুঁতে রাখা হয়েছিল। পরে দাউদপুর বাজারের বৈরাগীপাড়ায় দাহ করা হয়।

পরাজয় নিশ্চিত ভেবে পাক বাহিনী দলছুট কিছু সৈনিক ৯ ডিসেম্বরের রাতে বিরামপুর ক্যাম্প থেকে পালিয়ে এসে ভাদুরিয়া বাজার এবং বাজারের পূর্ব দিকে দারোগার আমবাগানে আশ্রয় নেয়। আমবাগানে লুকিয়ে থাকা পাকি সৈনরাও মিত্রবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে গতি রোধ করবার চেষ্টা করেন। এ অবস্থা কয়েকদিন ধরে চলে। মিত্র বাহিনীর অগ্রযাত্রা দারুণভাবে ব্যাহত হয়। ওদিকে ঘোড়াঘাটের পূর্ব-দক্ষিণ দিকে গোবিন্দগঞ্জ কাটাখালি নাম স্থানে পাক বাহিনীর একটি ক্যাম্প ছিল। এ ক্যাম্প উৎখাত না করে মুক্তিবাহিনী ঘোড়াঘাট এর উপর দিয়ে গোবিন্দগঞ্জে প্রবেশ করা কঠিন ছিল। কাই ১১ ডিসেম্বর থেকে মুক্তিবাহিনীর দাউদপুর ভাদুরিয়া একটি দল , রংপুর এর পলাশবাড়ি ও গাইবান্ধার নাকাইহাটের দলসহ তিন দিক থেকে পাকবাহিনীর কাটাখালী ক্যাম্প আক্রমণ করে৪। আক্রমণের ফলে ১২-১৩ ই ডিসেম্বর এর মধ্যে পাক বাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। শত্রুমুক্ত হওয়ায় মিত্রবাহিনীর ট্যাংক বহর ভাদুরিয়া থেকে রানীগঞ্জ হয়ে ঘোড়াঘাটে প্রবেশ করে ১৪ই ডিসেম্বর (১৯৭১ সালে)৫ আকাশে উড়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা বিজয়োল্লাশে মেতে ওঠে। দু একদিন পরেই স্থানীয় মুক্তিযো্দ্ধারা ঘোড়াঘাটে ফিরতে শুরু করে।

 

ঘোড়াঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাগণের তথ্যাদি

 

ক্রমিকনং

মুক্তিযোদ্ধার নাম ও ঠিকানা

সনদ,  স্মারক  নং ওতারিখ

গেজেট নং ওতারিখ

মুক্তিযোদ্ধার জন্ম তারিখ(এসএসসি/এনআইডি/ইউপিসনদ)

মুক্তিবার্তা/ভারতীয় তালিকা নম্বর

০১.

মিঃ জুয়েল মালো,পিতাঃ লক্ষন মালো

গ্রাম-শীধলগ্রাম,ডাকঘর-ওসমানপুর

৩নংসিংড়া ইউনিয়ন

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

-

নং-১৯৯৫তাং-৫জুন/২০০৫ইং

২৫/১০/১৯৫২

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০১৫

তাং-০৭মার্চ-১৯৯৯

০২

মোঃ শাহজাহান আলী,পিতাঃ মৃত গঞ্জের আলী শেখ,গ্রাম-নয়াপাড়া

ডাকঘর-ঘোড়াঘাট, ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৩৪২১৫

স্মারকনং-মুবিম/মা/দিনাজপুর/প্র-৩/২০০২/২৬৯২,

তাং-১৬/০৮/২০০৯

নং-১৯৮২ তাং-৫জুন২০০৫ইং

১৩/০২/১৯৫২

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০০৮

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

০৩

শ্রী মিনারাল রায়,পিতা-মৃত বিষম্বর রায়

গ্রাম-খাইরুল, ডাকঘর-ওসমানপুর

৩নং সিংড়া ইউনিয়ন

উপজেলা-ঘোড়াঘাট,জেলা-দিনাজপুর।

-

নং-১৯৮৮ তাং-৫জুন২০০৫ইং

২২/০১/১৯৫২

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০১৯

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

০৪

শ্রী জগেশ্বর রায়,পিতা-মৃত সোনারাম রায়

গ্রাম-খাইরুল, ডাকঘর-ওসমানপুর

৩নং সিংড়া ইউনিয়ন

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩০৪১

তাং-০৩/৮/২০১০

সনদনং-ম-১৫৪৬২৪

নং-১৯৮৭তাং-৫জুন২০০৫ইং

৩০/১১/১৯৪৯

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০১৭

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

০৫

শ্রী রমেশ চন্দ্র সরকার,পিতা- মৃত হরিবল সরকার গ্রাম-শ্যামপুর, ডাকঘর-ওসমানপুর  

ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৭০৫০৭

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩৩২৫

তাং-২০/০৯/২০১১

নং-১৯৯৬

তাং-৫জুন২০০৫ইং

০৪/০৮/১৯৫৫

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০১৮

তাং-০৭মার্চ-১৯৯৯

০৬

শ্রী বিরেন্দ্রনাথ সরকার,পিতা- মৃত অতুল চন্দ্র সরকার

গ্রাম-সেখালীপাড়া,ডাকঘর-ওসমানপুর,৩নংসিংড়াইউনিয়ন

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর

-

নং-১৯৮৬,

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১৩/১২/১৯৪৫

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০১৬

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

 

০৭

মোঃ হযরত আলী,পিতা- মৃত অফুর উদ্দিন সরকার

গ্রাম-এস,কেবাজার, ডাকঘর-ঘোড়াঘাট

ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১০৭৮২৩

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প-৩/৩৫/২০০২/২০০৩

তাং-০২/০২/২০০৬

নং-১৯৮৪

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১২/০৩/১৯৫৬

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০১১

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

 

০৮

মোঃ আনসার আলী,পিতা- মৃত হাজী আজগর আলী

গ্রাম-এস,কেবাজার,ঘোড়াঘাট পৌরসভা,

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৬১২৮৮

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩১১৮

তাং-১২/১২/২০১০ইং

নং-১৯৮৩

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১০/০৮/১৯৪৫

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০০৯

তাং-০৭মার্চ-১৯৯৯

 

০৯

 মোছাঃ সুফিয়া বেওয়া, স্বামী- মৃত মুক্তিযোদ্ধা আছির উদ্দিন সরকার

পিতা- মৃত বদর উদ্দিন সরকার, গ্রাম-চেংগ্রাম

ডাকঘর-ওসমানপুর

৪নং ঘোড়াঘাট ইউনিয়ন,উপজেলা-ঘোড়াঘাট 

জেলা-দিনাজপুর

-

নং-২০০৫

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১৯/১২/১৯৪০

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০৪৩

 

১০

মোঃ আঃগণি,পিতা- মৃত ইছহাক,গ্রাম-বলদিয়াপাড়া              

ডাকঘর-ঘোড়াঘাট,ঘোড়াঘাট পৌরসভা,

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৭১৫৩৮

স্মারকনং-মুবিম/মা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩৪৪৫

তাং-২০/০৬/২০১২ইং

নং-১৯৯৩,

তাং-৫জুন২০০৫ইং

০৩/০৮/১৯৪৫

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০০৫

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

 

১১

মোছাঃ রেজামা বেগম, স্বামী- মৃত মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ

পিতা- মৃত নাঈম উদ্দিন মন্ডল, গ্রাম-রামপাড়া,

ডাকঘর-হাটশ্যামগঞ্জ

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৪০৫৬৮

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/২৯৮২

তাং-০৭/০৬/২০১১

নং-১৯৭৯

তাং-৫জুন

২০০৫ইং

০১/০২/১৯৮৮

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০২০

তাং-০৭মার্চ১৯৯৯

১২

মোছাঃ আমিনা বেওয়া, স্বামী- মৃত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ,

পিতা- মৃত ওমর আলী,গ্রাম-চকবামুনিয়া,ডাকঘর-ওসমানপুর,

ঘোড়াঘাট পৌরসভা,উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-৫২৩৬৪

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/১০২৫

তাং-১৮/১০/২০০৪

নং-১৯৮৯

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১০/১১/১৯৪০

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০২১

তাং-০৭মার্চ১৯৯৯

১৩

মোঃ রোস্তম আলী, পিতা-মৃত অফুর উদ্দিন

গ্রাম-জোলাপাড়া,

ডাকঘর-ঘোড়াঘাট, ঘোড়াঘাট পৌরসভা,

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৭১৫৩৭

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩৩২৭

তাং-২০/০৯/২০১১

নং-১৯৯১

তাং-৫জুন২০০৫ইং

০৪/০২/১৯৫৩

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০৫২

তাং-০৭মার্চ১৯৯৯

১৪

মোঃ মজিবর রহমান, পিতা- মৃত বজলার রহমান,

গ্রাম-কাজীপাড়া,

ডাকঘর-ঘোড়াঘাট,ঘোড়াঘাট পৌরসভা,

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৭১৫৪০

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩৩২৬

তাং-২০/০৯/২০১১ইং

নং-২০০৭

তাং-০৫জুন২০০৫ইং

১৯/০৩/১৯৫৫

০৩০৮১২০০৫২

১৫

মোছাঃ সুলতানা রাজিয়া, স্বামী- মৃত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ মিয়া,

পিতা-মৃত হাজী আজিমুদ্দিন,গ্রাম-বিন্যাগাড়ী,

ডাক-হাটশ্যামগঞ্জ

১নংবুলাকীপুর ইউ,পি, উপজেলা-ঘোড়াঘাট,

জেলা-দিনাজপুর।

-

নং-১৯৯৯

তাং-৫জুন২০০৫ইং

০৭/০১/১৯৪৭

০৩০৮১২০০৩২

১৬

মোঃ আজহারুল ইসলাম,পিতা- মৃত দুদু মন্ডল

গ্রাম-চকবামুনিয়া বিশ্বনাথপুর,  ডাকঘর-ওসমানপুর,

ঘোড়াঘাট পৌরসভা,উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩২৪

তাং-০২/০৪/২০০৩ইং

নং-১৯৯৪

তাং-৫জুন২০০৫

০৫/১২/১৯৫৪

মুক্তিবার্তানং

০৩০৮১২০০০৭

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

১৭

মোছাঃ আরেফা বেগম, স্বামী- মৃত মুক্তিযোদ্ধা এসএস তবিবর রহমান,

পিতা- মৃত বছির উদ্দন,গ্রাম-খোদাতপুর,ডাকঘর-ওসমানপুর

৪নং ঘোড়াঘাট ইউ,পি, উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর

-

নং-১৯৯২

তাং-৫জুন২০০৫

২১/১২/১৯৪৯

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০০৪

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

১৮

মমতাজ বেওয়া, স্বামী- মৃত মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী

পিতা- মৃত সাহেবুল্যা মন্ডল

গ্রাম-করতোয়াপাড়া,ডাকঘর-ঘোড়াঘাট

ঘোড়াঘাটপৌরসভা,উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৬৯৭৪৩

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩২৮৪

তাং-১১/০৭/২০১১ইং

নং-২০০৮

তাং-৫জুন২০০৫

-

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০১৩

তাং-৭মার্চ১৯৯৯

১৯

শহিদা বেওয়া, স্বামী- মুক্তিযোদ্দা শহীদ আব্দুর রশিদ মিয়া, পিতা- মৃত আলহাজ্ব আজিমুদ্দিন

গ্রাম-বিন্যাগাড়ী,ডাকঘর-হাটশ্যামগঞ্জ

১নং বুলাকীপুর ইউ,পি, উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর

-

নং-১৯৯৮

তাং-৫জুন২০০৫

-

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০৩০

 

২০

শ্রী অধির কুমার সরকার,পিতা- মৃত প্রভাষ চন্দ্র সরকার,

গ্রাম-ভর্ণাপাড়া,ডাকঘর-হাটশ্যামগঞ্জ,  ৩নংসিংড়াইউনিয়ন

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৬৮৫৪২

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৩২৮৭

তাং-১৯/০৭/২০১১ইং

নং-১৯৮৫

তাং-৫জুন২০০৫

২০/০২/১৯৩৯

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০১৪

 

২১

১।মোছা:রেজিয়া,২।মোছা:আনজুয়ারা,

স্বামী- মৃত মুক্তিযোদ্ধা গোলাপ মিয়া, পিতা মৃত কছিম উদ্দিন

গ্রাম-কুমুড়িয়া,ডাক-ওসমানপুর,৩নংসিংড়াইউনিয়ন

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-৬৯৮৬২

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/১২১৮

তাং-১২/০২/২০০৫

নং-২০০৯

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১৪/০৮/১৯৪৫

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০০১

তাং-৭মার্চ-১৯৯৯

২২

মোছা:জোহরা খাতুন, স্বামী- মৃত মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের,পিতা- মৃত কলিমুদ্দিন

গ্রাম-বিন্যাগাড়ী,ডাকঘর-হাটশ্যামগঞ্জ  

১নং বুলাকীপুর ইউনিয়ন

উপজেলা-ঘোড়াঘাট,জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১০৭৬৪

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০৩/১৫১

তাং-০৭/০১/২০০৩

নং-১৯৮০

তাং-৫জুন২০০৫ইং

-

মুক্তিবার্তানং

০৩০৮১২০০৩১

২৩

মোঃ আঃ ছাত্তার খান,পিতা- মৃত আমজাদ খান

গ্রাম-শ্যামপুর,ডাকঘর-ওসমানপুর

ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট,জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-৭৩৩০২

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/১২১৭

তাং-১২/০২/২০০৫

নং-২০১৫

তাং-৫জুন২০০৫ইং

২৩/১০/১৯৪৬

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০২৮

২৪

মোঃ আনোয়ার হোসেন, পিতা- মৃত আঃ আজিজ

গ্রাম-পূর্বপাড়া, ডাকঘর-ঘোড়াঘাট, ঘোড়াঘাটপৌরসভা

উপজেলা- ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-৮০৯১৩

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/২০৬৬

তাং-২২/০৬/২০০৬

নং-২০১৬

তাং-৫জুন২০০৫ইং

২১/০১/১৯৫৫

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০৩৪

২৫

মোঃ ইব্রাহিম,  পিতা- মৃত শামসুদ্দিন, গ্রাম-ওসমানপুর

ডাকঘর-ওসমানপুর,  ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট,জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-৬১০০৬

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/১১৪৫  তাং-০৫/০১/২০০৫ইং

নং-২০১৪

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১৯/১১/১৯৫২

মুক্তিবার্তানং-

০৩০৮১২০০২৫

২৬

মো: নজরুল ইসলাম,পিতা- মৃত নুরউদ্দিন মাস্টার

গ্রাম-মাছুযাপাড়া, ডাকঘর-ঘোড়াঘাট,ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-৫০১৬২

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/৬৯৫

তাং-২০/০৩/২০০৪ইং

নং-২০১৭

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১৭/০৫/১৯৪৯

মুক্তিবার্তানং

০৩০৮১২০০৪০

২৭

মো:আবু বক্কর, পিতা- মৃত জাহেদ আলী

গ্রাম-এস,কেবাজার,ডাকঘর-ঘোড়াঘাট,ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১৪৩৫২৬

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/২৮২৮

তাং-২০/১২/২০০৯ইং

নং-২০২০

তাং-৫জুন২০০৫ইং

১৫/০৮/১৯৪৩

মুক্তিবার্তানং

০৩০৮১২০০৪৫

২৮

মো:আ:হান্নান,পিতা- মৃত হাছান আলী,

গ্রাম-দক্ষিন নয়াপাড়া,ডাকঘর-ঘোড়াঘাট, ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

সনদনং-ম-১২১১৭৩

স্মারকনং-মুবিম/সা/দিনাজপুর/প্র-৩/৩৫/২০০২/২১৬২

তাং-২৩/০৫/২০০৬ইং

নং-৩৫৮১

তাং-৩০মে২০০৬ইং

০৬/১১/১৯৫৬

-

২৯

মোছা: সেতারা বেগম, স্বামী- মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেক,পিতা- মৃত কসের উদ্দিন,

গ্রাম-সাগরপুর,ডাকঘর-ওসমানপুর,

ঘোড়াঘাট পৌরসভা, উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

-

নং-২০২৩

তাং-৫জুন২০০৫ইং

-

মুক্তিবার্তানং

০৩০৮১২০০৫৬

৩০

শাহ্‌ মোঃ আনোয়ার হোসেন, পিতা- মৃত শাহ ইজ্জত আলী

গ্রাম-ওসমানপুর,ডাকঘর-ওসমানপুর, ঘোড়াঘাট পৌরসভা

উপজেলা-ঘোড়াঘাট, জেলা-দিনাজপুর।

&