মেনু নির্বাচন করুন

বঙ্গবন্ধু তাঁত শিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কারখানা

প্রস্তাবনা সংক্রান্ত তথ্য

এ উপজেলায় ১৯৯৬ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত প্রতি বছরই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির জনসাধারণের জবীনমান উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপের আওতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কোন না কোন সহযোগিতা করা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্র ব্যবসায় ঋণ প্রদান, গরু ক্রয় করে প্রদান, ছাগল ক্রয় করে প্রদান, ভ্যান গাড়ী প্রদান, অটোভ্যান প্রদান, অটোরিক্সা প্রদান, মৎস্য চাষে অর্থ প্রদান ইত্যাদি উল্লেখ যোগ্য।

কিন্তু তাদের অসচেতনতা ও অশিক্ষার কারনে কোনটিই স্থায়ী হয়নি এবং টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হয়নি অথবা সরকারের  টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়নি। কারণ, তারা নিজেদের তৈরি হাড়িয়া, চোলাইমদসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্যে আবালবৃদ্ধবনিতা আসক্ত এবং তারা এতোই অসচেতন যে, শিক্ষা গ্রহণ করতেও আগ্রহী নয়। এমনকি তারা ঘরের চালের টিন বিক্রয় করেও নেশা করে থাকে।

এমতাবস্থায়, কিভাবে তাদের টেকসই উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করা যায়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তাদের জন্য তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়।

বিঃদ্রঃ এ জাতীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান দেশে এটিই প্রথম।

পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রস্তাবটি অনুমোদন ও বাস্তবায়নে বরাদ্দ প্রদান করা হলে “বঙ্গবন্ধু তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কারখানা” স্থাপন করা হয়। বর্তমানে  প্রথম পর্যায়ে ২০টি তাঁত স্থাপন করা হয়েছে এবং স্থানীয় সহযোগিতায় ১০টি তাতেঁর কাচামাল ক্রয় করে প্রশিক্ষণ ও উৎপাদন শুরু হয়েছে।

প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির মানুষ আত্বকর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির নারীরা পারিবারিক কাজ কর্মের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ পাচ্ছে। তাদের জীবনমান উন্নয়নে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কারখানাটি বিশেষ ভূমিকা রাখছে এবং ভবিষ্যতে টেকসই উন্নয়ন ও দেশের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

 


Share with :

Facebook Twitter